ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া বাইকগুলোর মধ্যে কমিউটার বাইকের চাহিদাই বেশি। কম দামে উচ্চ মানের মাইলেজ দেয় এমন বাইকগুলোই সবচেয়ে বেশি পছন্দ গ্রাহকদের। লো বাজেট সেগমেন্টে এমন দুটি সেরা বাইক Hero Splendor Plus এবং Bajaj CT110X। দুটি বাইকই মাইলেজ এবং দামের দিক দিয়ে সেরা। ফিচারস এবং দামের মধ্যে পার্থক্য দেখে নিন।
Hero Splendor Plus
Hero এর এই স্টাইলিশ বাইক রেকর্ড পরিমাণ বিক্রি হয়েছে। 97.2 cc ইঞ্জিন মোট 8.02 PS ক্ষমতা এবং 8.05 Nm টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। সাথে 60 কিমির মাইলেজও পাওয়া যায় বাইকটিতে। লেটেস্ট ভার্সন ব্লুটুথ কানেকটিভিটির মতো ফিচারসও দেওয়া হয়েছে Hero এর তরফে।
Splendor Plus এ সামনে এবং পিছনে উভয় দিকেই ড্রাম ব্রেক দেওয়া হয়েছে। 4 স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স সহ বাইকটির মোট ওজন 112 কেজি। মোট 9.8 লিটারের ফুয়়েল ট্যাঙ্ক একবার ট্যাংকি ফুল থাকা অবস্থায় 588 কিমি পর্যন্ত ছুটতে পারে। ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্টাল ক্লাস্টারে কল এবং এসএমএস অ্যালার্ট ফিচারসও দেখতে পাওয়া যায়।
Bajaj CT110X
Bajaj এর বাইকটিও কম যায়না। 115.4 সিসির ইঞ্জিন সহ CT 110X মোট 8.6 PS শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। গাড়িটির টপ স্পিড 90kmph। শক্তিশালী ইঞ্জিন থাকলেও মাইলেজ কিন্তু পর্যাপ্ত পাওয়া যায়। প্রতি লিটার পেট্রোলের বিনিময়ে বাইকটি মোট 70 কিমি পর্যন্ত ছুটতে সক্ষম। বাইকটি হোয়াইট গ্রিন, এবোনি ব্ল্যাক-ব্লু পেইন্ট এবং ইবোনি ব্ল্যাক-রেডের মতো আকর্ষণীয় রঙের সাথে আসে বাজারে।
CT 110X এর সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পিছনে টুইন শক অ্যাবজর্বার সাসপেনশন রয়েছে, যা রাইডারকে আরামদায়ক অভিজ্ঞতা দেয়। Bajaj CT110X এ রয়েছে একটি টিউবলেস টায়ার সহ 4-গতির গিয়ারবক্স। 11 লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক আপনার যাত্রার জন্য পর্যাপ্ত। জানিয়ে রাখি যে, Bajaj CT110X এর এক্স শোরুম দাম রয়েছে 59104 টাকা থেকে 67322 হাজার টাকা।